মাগুরা-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন যুদ্ধে এগিয়ে মনোয়ার হোসেন খান
প্রকাশের সময় :
১২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
৪১
পড়া হয়েছে
মাগুরা-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন যুদ্ধে এগিয়ে মনোয়ার হোসেন খান
বি.এম.সাদ্দাম হোসেন; স্টাফ রিপোর্টারঃ মাগুরা জেলা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বরাবরই আলোচিত একটি নাম। এই জেলায় রয়েছে মোট ৪টি উপজেলা—মাগুরা সদর, শ্রীপুর, মহম্মদপুর ও শালিখা। এ চারটি উপজেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে দুটি সংসদীয় আসন। মাগুরা সদর ও শ্রীপুর মিলে গঠিত হয়েছে মাগুরা-১ আসন এবং মহম্মদপুর ও শালিখা নিয়ে গঠিত হয়েছে মাগুরা-২ আসন। স্বাধীনতার পর থেকে মাগুরা জেলায় অনেক বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মোঃ সোহরাব হোসেন, মোঃ আসাদুজ্জামান, মেজর জেনারেল (অব.) এম মজিদ উল হক, এড. নিতাই রায় চৌধুরী, আব্দুর রশিদ বিশ্বাস, ডাঃ মোঃ সিরাজুল আকবর, মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুল ওহহাব মিয়া, সাইফুজ্জামান শিখর এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। এদের অধিকাংশই উচ্চ শিক্ষিত, বংশ মর্যাদাসম্পন্ন, অভিজ্ঞ এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে এবারের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। আওয়ামী লীগ নির্বাচন বর্জনের কারণে বিএনপির জন্য সৃষ্টি হয়েছে একপ্রকার ফাঁকা মাঠ, যেখানে গোল দিতে পারার সুযোগ তারা হাতছাড়া করতে চায় না। জাতীয় পার্টি কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে এখনো মাঠে নেই শক্তিশালী কোনো দল। জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ভিপি নুরের গণঅধিকার পরিষদ কিংবা চরমোনাই পীরের ইসলামী ঐক্য আন্দোলন কিংবা হেফাজতে ইসলাম—এই দলগুলোর জনভিত্তি তুলনামূলকভাবে দুর্বল। এই বাস্তবতায় বিএনপি এখন সাংগঠনিকভাবে সবচেয়ে সক্রিয় দল হিসেবে মাগুরায় অবস্থান করছে। ফলস্বরূপ, মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ভিড় বেড়েছে। মাগুরা-১ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেতে একাধিক প্রার্থী লবিং ও প্রচারণায় মাঠে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। প্রচারণায় থাকা প্রার্থীরা হলেন: জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খান (২০১৮ সালের মনোনীত প্রার্থী) জেলা আহ্বায়ক আলী আহমেদ বিশ্বাস (সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান) মোঃ শামছুল আলম (সাবেক ছাত্রদল সভাপতি এবং সাবেক মন্ত্রী মেজর জেনারেল মজিদ উল হকের এপিএস) ডাঃ সিমিন এ মজিদ (মজিদ উল হকের কন্যা) শ্রীপুর উপজেলার নেতা বদরুল আলম হিরো (সাবেক উপজেলা বিএনপি সভাপতি) এদের মধ্যে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে সবার শীর্ষে রয়েছেন আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খান। মাগুরা ও শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও জনসাধারণের মধ্যে মতামত গ্রহণ করে দেখা গেছে, তার প্রতি জনগণের আস্থা সবচেয়ে বেশি। এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, মনোয়ার হোসেন খানের ব্যাক্তিত্ব, আচার-আচরণ, শিক্ষা, নীতি-আদর্শ, বংশ মর্যাদা এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড তাকে একজন যোগ্য সংসদ সদস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি এক সময় ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে মাগুরা ও শ্রীপুরের শতাধিক বেকার যুবককে চাকরি দিয়েছেন। চিকিৎসা সেবায় ও মানবিক সহায়তায় তিনি বরাবরই ছিলেন অগ্রগামী। তার বিরুদ্ধে নেই কোনো দুর্নীতির অভিযোগ বা কলঙ্ক। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছেও তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আশীর্বাদ তার ওপর রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে। এছাড়া দলের একটি গোপন জরিপেও মনোয়ার হোসেন খানকেই এগিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, বাকি প্রার্থীদের সম্পর্কে ভোটারদের বেশিরভাগ নেতিবাচক মন্তব্যই করেছেন। অনেকেই তাদের ‘বসন্তের কোকিল’ বলে অভিহিত করেছেন। দলের দুঃসময়ে যাদের দেখা মেলেনি, তারা এখন মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন—এটি ভোটারদের একাংশের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। সব মিলিয়ে, বিএনপির মনোনয়ন যুদ্ধে মাগুরা-১ আসনে আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খানই যে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী, তা এখন একপ্রকার নিশ্চিত। এবার শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।
বি.এম.সাদ্দাম হোসেন; স্টাফ রিপোর্টারঃ
মাগুরা জেলা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বরাবরই আলোচিত একটি নাম। এই জেলায় রয়েছে মোট ৪টি উপজেলা—মাগুরা সদর, শ্রীপুর, মহম্মদপুর ও শালিখা। এ চারটি উপজেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে দুটি সংসদীয় আসন। মাগুরা সদর ও শ্রীপুর মিলে গঠিত হয়েছে মাগুরা-১ আসন এবং মহম্মদপুর ও শালিখা নিয়ে গঠিত হয়েছে মাগুরা-২ আসন।
স্বাধীনতার পর থেকে মাগুরা জেলায় অনেক বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মোঃ সোহরাব হোসেন, মোঃ আসাদুজ্জামান, মেজর জেনারেল (অব.) এম মজিদ উল হক, এড. নিতাই রায় চৌধুরী, আব্দুর রশিদ বিশ্বাস, ডাঃ মোঃ সিরাজুল আকবর, মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুল ওহহাব মিয়া, সাইফুজ্জামান শিখর এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। এদের অধিকাংশই উচ্চ শিক্ষিত, বংশ মর্যাদাসম্পন্ন, অভিজ্ঞ এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তবে এবারের নির্বাচনের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। আওয়ামী লীগ নির্বাচন বর্জনের কারণে বিএনপির জন্য সৃষ্টি হয়েছে একপ্রকার ফাঁকা মাঠ, যেখানে গোল দিতে পারার সুযোগ তারা হাতছাড়া করতে চায় না। জাতীয় পার্টি কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে এখনো মাঠে নেই শক্তিশালী কোনো দল। জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, ভিপি নুরের গণঅধিকার পরিষদ কিংবা চরমোনাই পীরের ইসলামী ঐক্য আন্দোলন কিংবা হেফাজতে ইসলাম—এই দলগুলোর জনভিত্তি তুলনামূলকভাবে দুর্বল।
এই বাস্তবতায় বিএনপি এখন সাংগঠনিকভাবে সবচেয়ে সক্রিয় দল হিসেবে মাগুরায় অবস্থান করছে। ফলস্বরূপ, মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ভিড় বেড়েছে। মাগুরা-১ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেতে একাধিক প্রার্থী লবিং ও প্রচারণায় মাঠে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।
প্রচারণায় থাকা প্রার্থীরা হলেন:
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খান (২০১৮ সালের মনোনীত প্রার্থী)
জেলা আহ্বায়ক আলী আহমেদ বিশ্বাস (সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান)
মোঃ শামছুল আলম (সাবেক ছাত্রদল সভাপতি এবং সাবেক মন্ত্রী মেজর জেনারেল মজিদ উল হকের এপিএস)
ডাঃ সিমিন এ মজিদ (মজিদ উল হকের কন্যা)
শ্রীপুর উপজেলার নেতা বদরুল আলম হিরো (সাবেক উপজেলা বিএনপি সভাপতি)
এদের মধ্যে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে সবার শীর্ষে রয়েছেন আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খান। মাগুরা ও শ্রীপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও জনসাধারণের মধ্যে মতামত গ্রহণ করে দেখা গেছে, তার প্রতি জনগণের আস্থা সবচেয়ে বেশি। এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, মনোয়ার হোসেন খানের ব্যাক্তিত্ব, আচার-আচরণ, শিক্ষা, নীতি-আদর্শ, বংশ মর্যাদা এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড তাকে একজন যোগ্য সংসদ সদস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তিনি এক সময় ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত থাকাকালে মাগুরা ও শ্রীপুরের শতাধিক বেকার যুবককে চাকরি দিয়েছেন। চিকিৎসা সেবায় ও মানবিক সহায়তায় তিনি বরাবরই ছিলেন অগ্রগামী। তার বিরুদ্ধে নেই কোনো দুর্নীতির অভিযোগ বা কলঙ্ক।
দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছেও তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আশীর্বাদ তার ওপর রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে। এছাড়া দলের একটি গোপন জরিপেও মনোয়ার হোসেন খানকেই এগিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, বাকি প্রার্থীদের সম্পর্কে ভোটারদের বেশিরভাগ নেতিবাচক মন্তব্যই করেছেন। অনেকেই তাদের ‘বসন্তের কোকিল’ বলে অভিহিত করেছেন। দলের দুঃসময়ে যাদের দেখা মেলেনি, তারা এখন মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন—এটি ভোটারদের একাংশের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
সব মিলিয়ে, বিএনপির মনোনয়ন যুদ্ধে মাগুরা-১ আসনে আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খানই যে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী, তা এখন একপ্রকার নিশ্চিত। এবার শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।