মাগুরা-২ আসনে নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে তৎপরতা: মাঠে সক্রিয় সম্ভাব্য প্রার্থীরা
প্রকাশের সময় :
০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
৪২
পড়া হয়েছে
মাগুরা-২ আসনে নির্বাচন ঘিরে বাড়ছে তৎপরতা: মাঠে সক্রিয় সম্ভাব্য প্রার্থীরা
বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা-২ আসনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মাঠে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। মহম্মদপুর ও শালিখা উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে মাঠে সক্রিয় হয়েছেন। বিএনপির একজন স্থানীয় নেতা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। তিনি প্রতিদিনের খবর কে বলেন, “বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যার সাথে জনগণের সম্পর্ক থাকবে দল তাকেই মনোনয়ন দেবে। আমি জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে কাজ করে যাচ্ছি। তৃণমূলের জরিপে যদি মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয় তাহলে আমি সবচেয়ে বেশি দাবিদার হবো। আমি দাবি জানাচ্ছি—তৃণমূলের চাওয়াকে প্রাধান্য দিয়ে যেন মনোনয়ন দেয়া হয়। যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়া হয় তাহলে ধানের শীষকে বিজয়ী করে তারেক রহমানের হাতে তুলে দেব ইনশাআল্লাহ।” এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমীর এমবি বাকের জানিয়েছেন, দল তাকে মাগুরা-২ আসনের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দিয়েছে। তিনি বলেন, “আমি ইতিমধ্যে এলাকায় গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা ও উঠান বৈঠক অব্যাহত রেখেছি। একটি আদর্শ, সুখী, সমৃদ্ধি, দুর্নীতিমুক্ত, মানবিক বাংলাদেশ গড়তে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বদ্ধপরিকর।” ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা মুফতি মোস্তফা কামাল বলেন, “নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই মহম্মদপুর ও শালিখা উপজেলায় ওয়ার্ড কমিটি গঠনের কাজ চলমান রয়েছে। আমরা এলাকায় গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা গতিশীলভাবে করছি।” অন্যদিকে, কৃষিবিদ ও বিজ্ঞানী ডক্টর আলী আফজাল দীর্ঘদিন ধরে মহম্মদপুর ও শালিখা উপজেলায় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি এখনও কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন না পেলেও এলাকার মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে এবং তার নাম আলোচনায় রয়েছে। তবে নতুন নিবন্ধনপ্রাপ্ত রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মাঠপর্যায়ে তেমন কোনো তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। উপজেলা পর্যায়ে কমিটি না থাকায় দলটি সাংগঠনিকভাবে এখনও পিছিয়ে রয়েছে। সব মিলিয়ে মাগুরা-২ আসনে নির্বাচনী উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা ইতোমধ্যেই জনমনে নির্বাচনকেন্দ্রিক আলোচনার সূত্রপাত ঘটিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, কোন দল কাকে মনোনয়ন দেয় এবং শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে কারা টিকে থাকেন।
বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; স্টাফ রিপোর্টার
মাগুরা-২ আসনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মাঠে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। মহম্মদপুর ও শালিখা উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে মাঠে সক্রিয় হয়েছেন।
বিএনপির একজন স্থানীয় নেতা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। তিনি প্রতিদিনের খবর কে বলেন, “বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যার সাথে জনগণের সম্পর্ক থাকবে দল তাকেই মনোনয়ন দেবে। আমি জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে কাজ করে যাচ্ছি। তৃণমূলের জরিপে যদি মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয় তাহলে আমি সবচেয়ে বেশি দাবিদার হবো।
আমি দাবি জানাচ্ছি—তৃণমূলের চাওয়াকে প্রাধান্য দিয়ে যেন মনোনয়ন দেয়া হয়। যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়া হয় তাহলে ধানের শীষকে বিজয়ী করে তারেক রহমানের হাতে তুলে দেব ইনশাআল্লাহ।”
এদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমীর এমবি বাকের জানিয়েছেন, দল তাকে মাগুরা-২ আসনের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দিয়েছে। তিনি বলেন, “আমি ইতিমধ্যে এলাকায় গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা ও উঠান বৈঠক অব্যাহত রেখেছি। একটি আদর্শ, সুখী, সমৃদ্ধি, দুর্নীতিমুক্ত, মানবিক বাংলাদেশ গড়তে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বদ্ধপরিকর।” ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা মুফতি মোস্তফা কামাল বলেন, “নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই মহম্মদপুর ও শালিখা উপজেলায় ওয়ার্ড কমিটি গঠনের কাজ চলমান রয়েছে। আমরা এলাকায় গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা গতিশীলভাবে করছি।”
অন্যদিকে, কৃষিবিদ ও বিজ্ঞানী ডক্টর আলী আফজাল দীর্ঘদিন ধরে মহম্মদপুর ও শালিখা উপজেলায় বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি এখনও কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন না পেলেও এলাকার মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে এবং তার নাম আলোচনায় রয়েছে। তবে নতুন নিবন্ধনপ্রাপ্ত রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মাঠপর্যায়ে তেমন কোনো তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। উপজেলা পর্যায়ে কমিটি না থাকায় দলটি সাংগঠনিকভাবে এখনও পিছিয়ে রয়েছে।
সব মিলিয়ে মাগুরা-২ আসনে নির্বাচনী উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা ইতোমধ্যেই জনমনে নির্বাচনকেন্দ্রিক আলোচনার সূত্রপাত ঘটিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, কোন দল কাকে মনোনয়ন দেয় এবং শেষ পর্যন্ত ভোটের লড়াইয়ে কারা টিকে থাকেন।