রাজশাহীতে মর্মান্তিক ঘটনা: ঋণের দায় ও খাবারের অভাবে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু
প্রকাশের সময় :
১২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫
৪৯
পড়া হয়েছে
রাজশাহীতে মর্মান্তিক ঘটনা: ঋণের দায় ও খাবারের অভাবে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু
নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর পবা উপজেলার বামুনশিকড় এলাকায় ঘটে গেছে হৃদয়বিদারক এক ঘটনা। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে একটি ভাড়া বাসা থেকে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পরিবারের কর্তা মিনারুল ইসলাম (৩০) প্রথমে স্ত্রী ও সন্তানদের হত্যা করে পরে আত্মহত্যা করেছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন— মিনারুল ইসলাম, তার স্ত্রী মনিরা বেগম (২৮), ছেলে মাহিম (১৩) এবং দেড় বছর বয়সী মেয়ে মিথিলা। পুলিশ জানায়, মিনারুল প্রথমে স্ত্রীকে ওড়না দিয়ে ও মেয়েকে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এরপর ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজেই আত্মহত্যা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়, যেখানে লেখা ছিল আমরা মরে গেলাম ঋণের দায়ে, খাবারের অভাবে। আমি নিজ হাতে সবাইকে মারলাম। কারণ, আমি যদি মরে যাই, আমার সন্তানদের আর কোনো আশ্রয় থাকবে না। কষ্ট আর দুঃখ ছাড়া তারা কিছুই পাবে না… চিরদিনের জন্য চলে গেলাম। সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।” চিরকুটে আরও উল্লেখ ছিল যে, পরিবারের আর্থিক দুরবস্থা ও ঋণের বোঝা তাদের এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। মিনারুল লিখেছেন, তার জন্য পরিবারকে আর কারও কাছে ছোট হতে হবে না। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আপনি চাইলে আমি এই খবরটি সংবেদনশীল অথচ প্রভাবশালী স্টাইলের অনলাইন নিউজ পোর্টালের উপযোগী করে সাজিয়ে দিতে পারি যাতে পাঠকের মনে আরও গভীরভাবে পৌঁছায়।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজশাহীর পবা উপজেলার বামুনশিকড় এলাকায় ঘটে গেছে হৃদয়বিদারক এক ঘটনা। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে একটি ভাড়া বাসা থেকে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পরিবারের কর্তা মিনারুল ইসলাম (৩০) প্রথমে স্ত্রী ও সন্তানদের হত্যা করে পরে আত্মহত্যা করেছেন।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন— মিনারুল ইসলাম, তার স্ত্রী মনিরা বেগম (২৮), ছেলে মাহিম (১৩) এবং দেড় বছর বয়সী মেয়ে মিথিলা।
পুলিশ জানায়, মিনারুল প্রথমে স্ত্রীকে ওড়না দিয়ে ও মেয়েকে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এরপর ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যার পর নিজেই আত্মহত্যা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়, যেখানে লেখা ছিল
আমরা মরে গেলাম ঋণের দায়ে, খাবারের অভাবে। আমি নিজ হাতে সবাইকে মারলাম। কারণ, আমি যদি মরে যাই, আমার সন্তানদের আর কোনো আশ্রয় থাকবে না। কষ্ট আর দুঃখ ছাড়া তারা কিছুই পাবে না… চিরদিনের জন্য চলে গেলাম। সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।”
চিরকুটে আরও উল্লেখ ছিল যে, পরিবারের আর্থিক দুরবস্থা ও ঋণের বোঝা তাদের এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। মিনারুল লিখেছেন, তার জন্য পরিবারকে আর কারও কাছে ছোট হতে হবে না।
পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আপনি চাইলে আমি এই খবরটি সংবেদনশীল অথচ প্রভাবশালী স্টাইলের অনলাইন নিউজ পোর্টালের উপযোগী করে সাজিয়ে দিতে পারি যাতে পাঠকের মনে আরও গভীরভাবে পৌঁছায়।