, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে গুজব, অপপ্রচারের প্রতিবাদে মিট দ্য প্রেস কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুরে ৭ হাজার ৫০০ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক ১ মিরপুরে গ্রীস্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ লংমার্চ অযথা জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করবে কুষ্টিয়ায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারের মিরপুর সার্কেল ও থানা বার্ষিক পরিদর্শন কুষ্টিয়ায় ১২ টন খোলা চিনি জব্দ, আটক ৪ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন, ক্লাস শুরু ২৩ সেপ্টেম্বর সেপ্টেম্বরেও কঠিন গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো মিরপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহীন খসরুর মতবিনিময়

টাঙ্গাইলে সাত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘তথ্য ডিলিটের’ অভিযোগ থানায়!

  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • ৫০ পড়া হয়েছে

 

বিশেষ প্রতিনিধি

 

টাঙ্গাইল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সাত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘তথ্য ডিলিটের’ অভিযোগ এনে আইনি সহায়তা চেয়ে সদর থানায় লিখিত আবেদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিতালী খন্দকার লিখিত অভিযোগটি দাখিল করেছেন। অভিযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তসলিমা জাহান, সহকারী শিক্ষক আজফা খন্দকার টুসি, আফরোজা আক্তার, খালেদা খান, লায়লা সিদ্দিকী, আয়েশা আক্তার ও রোকসানার নাম রয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় সহকারী শিক্ষক হাফিজাকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তসলিমা জাহান তার কক্ষে ডেকে পাঠান। এ সময় ৪০-৪৫ মিনিট প্রধান শিক্ষক তার সঙ্গে বিদ্যালয়ের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন। প্রতিদিনের ন্যায় ওই দিনও তার মোবাইল ফোনসহ হ্যান্ডব্যাগ শিক্ষকদের কমন রুমে রাখা ছিল।

 

 

প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তাঁর সঙ্গে কথা বলার ফাঁকে অন্য সহকারী শিক্ষকরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে সহকারী শিক্ষক হাফিজার মোবাইল ফোনের সব ছবি ও ভিডিও ‘ডিলিট’ করে ফেলেন।

 

তিনি প্রধান শিক্ষকের কক্ষে থাকাকালে উল্লেখিত সহকারী শিক্ষকরা মোবাইল ফোনে থাকা গত ৬ আগস্ট গোপনে বিদ্যালয়ের লাইব্রেরি কক্ষে ‘কোচিং সেন্টারের আট শিক্ষার্থীকে দিয়ে মে মাসে শেষ হওয়া প্রথম সাময়িক পরীক্ষা নেওয়া’ ভিডিও ও বিদ্যালয়ের বেশ কিছু অপকর্মের তথ্য ও ছবি এবং তার ব্যক্তিগত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ‘ডিলিট’(মুছে) করেছেন। মোবাইলে সংরক্ষিত তার মৃত ছেলের স্মৃতিজড়ানো একমাত্র ছবিটিও তারা রাখেনি। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি প্রধান শিক্ষকের কাছে বিষয়টি জানান এবং প্রতিকার দাবি করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক নিজেই ওই পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকায় কোন ব্যবস্থা নেননি। বাধ্য হয়ে তিনি সাত সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন।

 

টাঙ্গাইল থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) আমিনুল ইসলাম খান জানান, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ সাত সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে দেওয়া সহকারী শিক্ষক মিতালী খন্দকারের লিখিত অভিযোগটির তদন্তভঅর তাকে দেওয়া হয়েছে। তিনি সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খুঁটিনাটি বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিবেন।

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে গুজব, অপপ্রচারের প্রতিবাদে মিট দ্য প্রেস

টাঙ্গাইলে সাত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘তথ্য ডিলিটের’ অভিযোগ থানায়!

প্রকাশের সময় : ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

 

বিশেষ প্রতিনিধি

 

টাঙ্গাইল মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সাত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘তথ্য ডিলিটের’ অভিযোগ এনে আইনি সহায়তা চেয়ে সদর থানায় লিখিত আবেদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) রাতে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিতালী খন্দকার লিখিত অভিযোগটি দাখিল করেছেন। অভিযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তসলিমা জাহান, সহকারী শিক্ষক আজফা খন্দকার টুসি, আফরোজা আক্তার, খালেদা খান, লায়লা সিদ্দিকী, আয়েশা আক্তার ও রোকসানার নাম রয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় সহকারী শিক্ষক হাফিজাকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তসলিমা জাহান তার কক্ষে ডেকে পাঠান। এ সময় ৪০-৪৫ মিনিট প্রধান শিক্ষক তার সঙ্গে বিদ্যালয়ের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন। প্রতিদিনের ন্যায় ওই দিনও তার মোবাইল ফোনসহ হ্যান্ডব্যাগ শিক্ষকদের কমন রুমে রাখা ছিল।

 

 

প্রধান শিক্ষকের কক্ষে তাঁর সঙ্গে কথা বলার ফাঁকে অন্য সহকারী শিক্ষকরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে সহকারী শিক্ষক হাফিজার মোবাইল ফোনের সব ছবি ও ভিডিও ‘ডিলিট’ করে ফেলেন।

 

তিনি প্রধান শিক্ষকের কক্ষে থাকাকালে উল্লেখিত সহকারী শিক্ষকরা মোবাইল ফোনে থাকা গত ৬ আগস্ট গোপনে বিদ্যালয়ের লাইব্রেরি কক্ষে ‘কোচিং সেন্টারের আট শিক্ষার্থীকে দিয়ে মে মাসে শেষ হওয়া প্রথম সাময়িক পরীক্ষা নেওয়া’ ভিডিও ও বিদ্যালয়ের বেশ কিছু অপকর্মের তথ্য ও ছবি এবং তার ব্যক্তিগত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ‘ডিলিট’(মুছে) করেছেন। মোবাইলে সংরক্ষিত তার মৃত ছেলের স্মৃতিজড়ানো একমাত্র ছবিটিও তারা রাখেনি। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি প্রধান শিক্ষকের কাছে বিষয়টি জানান এবং প্রতিকার দাবি করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক নিজেই ওই পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকায় কোন ব্যবস্থা নেননি। বাধ্য হয়ে তিনি সাত সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন।

 

টাঙ্গাইল থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) আমিনুল ইসলাম খান জানান, মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ সাত সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে দেওয়া সহকারী শিক্ষক মিতালী খন্দকারের লিখিত অভিযোগটির তদন্তভঅর তাকে দেওয়া হয়েছে। তিনি সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খুঁটিনাটি বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিবেন।