স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে সাত কলেজ: ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ
প্রকাশের সময় :
০৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৯৪
পড়া হয়েছে
স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে সাত কলেজ: ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশের গেজেট প্রকাশ
লামিসা তাসনিম জুহা, বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকা রাজধানীর সরকারি সাত কলেজকে অন্তর্ভুক্ত করে নবগঠিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’র চূড়ান্ত অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই গেজেট প্রকাশ করে। অধ্যাদেশের পটভূমি ও লক্ষ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২২ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অধ্যাদেশের চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। মূলত ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজের উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়ন, দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জট নিরসন এবং একটি সুসংগঠিত একাডেমিক কাঠামো নিশ্চিত করতেই এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অন্তর্ভুক্ত কলেজসমূহ নতুন এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযুক্ত কলেজ হিসেবে পরিচালিত হবে। তবে কলেজগুলোর নিজস্ব স্বকীয়তা, অবকাঠামো এবং যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির অধিকার আগের মতোই বজায় থাকবে। প্রশাসনিক ও একাডেমিক কাঠামো বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কাঠামোতে আচার্য, উপাচার্য, সিনেট, সিন্ডিকেট এবং একাডেমিক কাউন্সিল অন্তর্ভুক্ত থাকছে। পদাধিকারবলে রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন এবং সিনেট মনোনীত প্যানেল থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেবেন। শিক্ষা, পরীক্ষা ও গবেষণার মান বজায় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) নিয়মিত পরিদর্শন ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার ক্ষমতা পাবে। একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কলা, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, আইন ও চারুকলাসহ বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের অধীনে পৃথক পৃথক স্কুল থাকবে। প্রতিটি স্কুলের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে থাকবেন একজন হেড অব স্কুল। সংযুক্ত সকল কলেজে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পাঠদান এবং মূল্যায়ন পদ্ধতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিন্ন ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সম্পন্ন হবে। ভর্তি ও অন্যান্য সুবিধা শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যোগ্যতা অনুযায়ী মূল ক্যাম্পাস বা সংযুক্ত কলেজগুলোতে ভর্তির সুযোগ পাবেন। এছাড়াও কলেজগুলোতে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনায় এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর পাশাপাশি শিক্ষকদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। আবাসন ও ক্যাম্পাস উন্নয়ন শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে আবাসিক হল সুবিধা, সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম এবং ছাত্র সংসদ নির্বাচনের বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে এই অধ্যাদেশে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। স্থায়ী অবকাঠামো তৈরির আগ পর্যন্ত সাময়িকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
লামিসা তাসনিম জুহা, বিশেষ প্রতিনিধি
ঢাকা রাজধানীর সরকারি সাত কলেজকে অন্তর্ভুক্ত করে নবগঠিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’র চূড়ান্ত অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এই গেজেট প্রকাশ করে।
অধ্যাদেশের পটভূমি ও লক্ষ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২২ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অধ্যাদেশের চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। মূলত ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজের উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়ন, দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জট নিরসন এবং একটি সুসংগঠিত একাডেমিক কাঠামো নিশ্চিত করতেই এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অন্তর্ভুক্ত কলেজসমূহ নতুন এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযুক্ত কলেজ হিসেবে পরিচালিত হবে। তবে কলেজগুলোর নিজস্ব স্বকীয়তা, অবকাঠামো এবং যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির অধিকার আগের মতোই বজায় থাকবে।
প্রশাসনিক ও একাডেমিক কাঠামো বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কাঠামোতে আচার্য, উপাচার্য, সিনেট, সিন্ডিকেট এবং একাডেমিক কাউন্সিল অন্তর্ভুক্ত থাকছে। পদাধিকারবলে রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন এবং সিনেট মনোনীত প্যানেল থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেবেন। শিক্ষা, পরীক্ষা ও গবেষণার মান বজায় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) নিয়মিত পরিদর্শন ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার ক্ষমতা পাবে।
একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কলা, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, আইন ও চারুকলাসহ বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের অধীনে পৃথক পৃথক স্কুল থাকবে। প্রতিটি স্কুলের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে থাকবেন একজন হেড অব স্কুল। সংযুক্ত সকল কলেজে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পাঠদান এবং মূল্যায়ন পদ্ধতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিন্ন ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।
ভর্তি ও অন্যান্য সুবিধা শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যোগ্যতা অনুযায়ী মূল ক্যাম্পাস বা সংযুক্ত কলেজগুলোতে ভর্তির সুযোগ পাবেন। এছাড়াও কলেজগুলোতে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনায় এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম চালুর পাশাপাশি শিক্ষকদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে।
আবাসন ও ক্যাম্পাস উন্নয়ন শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে আবাসিক হল সুবিধা, সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম এবং ছাত্র সংসদ নির্বাচনের বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে এই অধ্যাদেশে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। স্থায়ী অবকাঠামো তৈরির আগ পর্যন্ত সাময়িকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।