বড় পর্দায় খেলা দেখার সুযোগ নেই সোহরাওয়ার্দী কলেজে, বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা
প্রকাশের সময় :
০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
২৫২
পড়া হয়েছে
বড় পর্দায় খেলা দেখার সুযোগ নেই সোহরাওয়ার্দী কলেজে, বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা
লামিসা তাসনিম জুহা, বিশেষ প্রতিনিধি: ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে এখন পুরো বিশ্বজুড়ে উৎসবের আমেজ চলছে। সেই ফুটবল উন্মাদনার জোয়ার এসে লেগেছে বাংলাদেশের সব প্রান্তেও। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রধান প্রধান জনসমাগমস্থলে বড় পর্দায় যৌথভাবে খেলা দেখার চমৎকার আয়োজন করা হলেও এই আনন্দের বাইরে রয়ে গেছে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ। নিজেদের প্রিয় ক্যাম্পাসে বসে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো উপভোগ করা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এই কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। জানা গেছে, ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইসরাক হোসেন এই কলেজে বিশ্বকাপের খেলা দেখানোর একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, যে আধুনিক এলইডি জায়ান্ট স্ক্রিন বসানোর কথা ছিল, তার বদলে সেখানে একটি সাধারণ প্রজেক্টর পর্দা টাঙানো হয়। এর ফলে দিনের আলোতে কোনো খেলাই ঠিকমতো দেখা সম্ভব হতো না। আর বর্তমানে সেই পর্দাটিও মাঝখান থেকে ছিঁড়ে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। সরেজমিনে ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, কলেজ প্রাঙ্গণে স্থাপন করা সেই পর্দাটি এখন সম্পূর্ণ অকেজো ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে। সেখানে নতুন করে খেলা দেখানোর মতো কোনো প্রস্তুতি বা আয়োজনও নজরে পড়েনি। যার কারণে সবাই মিলে একসঙ্গে খেলা দেখার আনন্দ থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হচ্ছেন এখানকার শিক্ষার্থীরা। এই বিষয়ে নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, "নিজেদের কলেজে খেলা দেখার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে তাদের পাশের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কবি নজরুল সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে খেলা দেখতে হচ্ছে। অথচ নিজেদের ক্যাম্পাসে যদি একটি কার্যকর ব্যবস্থা থাকত, তবে সব বন্ধু মিলে একসঙ্গে বিশ্বকাপের আসল আনন্দ উপভোগ করা যেত"। কলেজ শাখা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক আল আমিন অন্তর এই প্রসঙ্গে জানান, "তাদের পাশেই অবস্থিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও কবি নজরুল সরকারি কলেজে ঠিকই এলইডি জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু সোহরাওয়ার্দী কলেজে এলইডির পরিবর্তে দেওয়া হয়েছে একটি সাধারণ পর্দা, যা দিয়ে দিনের বেলায় খেলা দেখা অসম্ভব ছিল। এর মধ্যেই আবার সেই পর্দাটি ছিঁড়ে নষ্ট হয়ে গেছে"। এদিকে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রুবেল বলেন, "খুব দ্রুত এই ছেঁড়া পর্দাটি পরিবর্তন কিংবা মেরামত করে শিক্ষার্থীদের জন্য আবার নতুন করে খেলা দেখার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে"। এই বিষয়ে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জসীমউদ্দিন জানান, "মূলত প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগেই শিক্ষার্থীদের খেলা দেখানোর এই ব্যবস্থাটি করা হয়েছিল। তবে পর্দাটি ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে এখন সাময়িকভাবে খেলা দেখানো যাচ্ছে না। বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলো যাতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ক্যাম্পাসে বসেই সুন্দরভাবে উপভোগ করতে পারেন, সেজন্য এখন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে"। এখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটাই প্রত্যাশা, বিশ্বকাপের বাকি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো শুরু হওয়ার আগেই যেন দ্রুত একটি কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়, যাতে তারাও নিজেদের ক্যাম্পাসের আঙিনায় বসে একসঙ্গে খেলা দেখার আনন্দ মেতে উঠতে পারেন
লামিসা তাসনিম জুহা, বিশেষ প্রতিনিধি:
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে এখন পুরো বিশ্বজুড়ে উৎসবের আমেজ চলছে। সেই ফুটবল উন্মাদনার জোয়ার এসে লেগেছে বাংলাদেশের সব প্রান্তেও। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রধান প্রধান জনসমাগমস্থলে বড় পর্দায় যৌথভাবে খেলা দেখার চমৎকার আয়োজন করা হলেও এই আনন্দের বাইরে রয়ে গেছে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ। নিজেদের প্রিয় ক্যাম্পাসে বসে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো উপভোগ করা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এই কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইসরাক হোসেন এই কলেজে বিশ্বকাপের খেলা দেখানোর একটি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, যে আধুনিক এলইডি জায়ান্ট স্ক্রিন বসানোর কথা ছিল, তার বদলে সেখানে একটি সাধারণ প্রজেক্টর পর্দা টাঙানো হয়। এর ফলে দিনের আলোতে কোনো খেলাই ঠিকমতো দেখা সম্ভব হতো না। আর বর্তমানে সেই পর্দাটিও মাঝখান থেকে ছিঁড়ে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে।
সরেজমিনে ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, কলেজ প্রাঙ্গণে স্থাপন করা সেই পর্দাটি এখন সম্পূর্ণ অকেজো ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে। সেখানে নতুন করে খেলা দেখানোর মতো কোনো প্রস্তুতি বা আয়োজনও নজরে পড়েনি। যার কারণে সবাই মিলে একসঙ্গে খেলা দেখার আনন্দ থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হচ্ছেন এখানকার শিক্ষার্থীরা।
এই বিষয়ে নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, “নিজেদের কলেজে খেলা দেখার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে তাদের পাশের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কবি নজরুল সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে খেলা দেখতে হচ্ছে। অথচ নিজেদের ক্যাম্পাসে যদি একটি কার্যকর ব্যবস্থা থাকত, তবে সব বন্ধু মিলে একসঙ্গে বিশ্বকাপের আসল আনন্দ উপভোগ করা যেত”।
কলেজ শাখা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক আল আমিন অন্তর এই প্রসঙ্গে জানান, “তাদের পাশেই অবস্থিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও কবি নজরুল সরকারি কলেজে ঠিকই এলইডি জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু সোহরাওয়ার্দী কলেজে এলইডির পরিবর্তে দেওয়া হয়েছে একটি সাধারণ পর্দা, যা দিয়ে দিনের বেলায় খেলা দেখা অসম্ভব ছিল। এর মধ্যেই আবার সেই পর্দাটি ছিঁড়ে নষ্ট হয়ে গেছে”।
এদিকে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রুবেল বলেন, “খুব দ্রুত এই ছেঁড়া পর্দাটি পরিবর্তন কিংবা মেরামত করে শিক্ষার্থীদের জন্য আবার নতুন করে খেলা দেখার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে”।
এই বিষয়ে কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জসীমউদ্দিন জানান, “মূলত প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগেই শিক্ষার্থীদের খেলা দেখানোর এই ব্যবস্থাটি করা হয়েছিল। তবে পর্দাটি ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে এখন সাময়িকভাবে খেলা দেখানো যাচ্ছে না। বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলো যাতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ক্যাম্পাসে বসেই সুন্দরভাবে উপভোগ করতে পারেন, সেজন্য এখন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে”।
এখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটাই প্রত্যাশা, বিশ্বকাপের বাকি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলো শুরু হওয়ার আগেই যেন দ্রুত একটি কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়, যাতে তারাও নিজেদের ক্যাম্পাসের আঙিনায় বসে একসঙ্গে খেলা দেখার আনন্দ মেতে উঠতে পারেন