, রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ার মিরপুরে সেলাই প্রশিক্ষণ, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ উদ্বোধন করলেন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী দাদার বাড়ি এসে নিখোঁজ, ১৭ ঘণ্টা পর পুকুরে মিলল শিশুর মরদেহ মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে মঈন খান-পার্থসহ পাঁচজন মিরপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে নৌকা ভ্রমণ জানারুল ইসলাম সভাপতি, কামাল হোসেন সাধারণ সম্পাদক ১০ বছর পর আমলা সদরপুর মাইক্রো স্ট্যান্ডে নতুন কমিটি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অবৈধ সিগারেট কারখানায় অভিযান, জব্দ সাড়ে ২৫ লাখ শলাকা নকল সিগারেট কুষ্টিয়ার মিরপুরে বিএনপি’র উদ্যোগে বৃক্ষরোপন মিরপুর প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় ব্যারিষ্টার রাগিব রউফ চৌধুরী টেকসই উন্নয়নে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা-দৌলতপুর সড়কের আল্লারদর্গা অংশে ড্রেনসহ রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন স্মৃতি হারানোর আড়ালে লুকিয়ে থাকা মানসিক ক্ষত: ডিসোসিয়েটিভ অ্যামনেশিয়া

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে জুড়ীতে পুরস্কার বিতরণ ও পোনামাছ অবমুক্তকরণ

  • প্রকাশের সময় : ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ৫০ পড়া হয়েছে

 

জসিম উদ্দিন জুড়ী উপজেলা প্রতিনিধি


 

“অভয়াশ্রম গড়ে তুলি, দেশি মাছে দেশ গড়ি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫ উপলক্ষে মৌলভীবাজারের জুড়ীতে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সোমবার (১৮ আগস্ট) উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, সড়ক র‌্যালি, সফল মৎস্যচাষীকে পুরস্কার প্রদান ও উপজেলা পরিষদ পুকুরে পোনামাছ অবমুক্তকরণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বাবলু সূত্রধর। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৃদুল কান্তি দে, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এ বি এম জহুরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী জোনায়েত আলম, সদর জায়ফরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম রেজা প্রমূখ।

আলোচনা সভা শেষে জুড়ী উপজেলায় মৎস্য উৎপাদনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বদরুল ইসলাম ও ইলিয়াস সরকারকে পুরস্কৃত করা হয়। পরে উপজেলা পরিষদ পুকুরে পোনামাছ অবমুক্ত করেন অতিথিবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, “বর্তমান সরকার মৎস্য খাতের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন জলাশয় ও অভয়াশ্রমে নিয়মিত পোনামাছ অবমুক্ত করা হচ্ছে। এতে দেশীয় মাছের প্রজাতি সংরক্ষণ যেমন সম্ভব হচ্ছে, তেমনি উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হলো—এই উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে অন্য জেলায়ও মাছ সরবরাহ করা।”

 

বক্তারা আরও বলেন, দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে একদিকে যেমন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী। এজন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি।

 

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ার মিরপুরে সেলাই প্রশিক্ষণ, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ উদ্বোধন করলেন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহে জুড়ীতে পুরস্কার বিতরণ ও পোনামাছ অবমুক্তকরণ

প্রকাশের সময় : ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

 

জসিম উদ্দিন জুড়ী উপজেলা প্রতিনিধি


 

“অভয়াশ্রম গড়ে তুলি, দেশি মাছে দেশ গড়ি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২৫ উপলক্ষে মৌলভীবাজারের জুড়ীতে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সোমবার (১৮ আগস্ট) উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, সড়ক র‌্যালি, সফল মৎস্যচাষীকে পুরস্কার প্রদান ও উপজেলা পরিষদ পুকুরে পোনামাছ অবমুক্তকরণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বাবলু সূত্রধর। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মৃদুল কান্তি দে, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এ বি এম জহুরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী জোনায়েত আলম, সদর জায়ফরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম রেজা প্রমূখ।

আলোচনা সভা শেষে জুড়ী উপজেলায় মৎস্য উৎপাদনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বদরুল ইসলাম ও ইলিয়াস সরকারকে পুরস্কৃত করা হয়। পরে উপজেলা পরিষদ পুকুরে পোনামাছ অবমুক্ত করেন অতিথিবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, “বর্তমান সরকার মৎস্য খাতের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন জলাশয় ও অভয়াশ্রমে নিয়মিত পোনামাছ অবমুক্ত করা হচ্ছে। এতে দেশীয় মাছের প্রজাতি সংরক্ষণ যেমন সম্ভব হচ্ছে, তেমনি উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হলো—এই উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে অন্য জেলায়ও মাছ সরবরাহ করা।”

 

বক্তারা আরও বলেন, দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে একদিকে যেমন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী। এজন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি।